বুধবার, ১৪ মে, ২০১৪

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
এটা আমার প্রথম টিউন, ভুল হলে ক্ষমা করবেন । প্রথমেই আমরা পরিচিত হব যে সকল যন্ত্র-পাতি দিয়ে কাজ করব।মোবাইল রিপিয়ার(মেরামত)করতে যে সকল যন্ত্র-পাতি লাগে তার মাঝে উল্লেখ করা যাই-
·         মোবাইল টুল বক্স,
·         হটগান,
·         এভোমিটার,
·         পাওয়ার সাপ্লাই,
·         কুইক চার্জার,
·         একটি টেবিল লেম্প(মেগ্নিফ্লাইং গ্লাস সহ),
·         লিড কয়েল,
·         রজন,
·         মেজিক তার,
·         থিনার,
·         সোল্ডারিং পেস্ট,
·         একটি টুথ ব্রাশ,
·         হিট বক্স ইত্যাদি।

মোবাইল টুল বক্স :মোবাইল টুল বক্স এ সাধারনত যা থাকে-

·         একটি T6
·         একটি  T4
·         একটি  star
·         একটি মাইনাস
·         দুইটা টুইজার
·         একটি নুস প্লাস
·         একটি কাটিং প্লাস ইত্যাদি।

চিত্র মোবাইল টুল বক্স-














হট গান :সোল্ডারিং ওইয়ার,তাতাল।
মোবাইল টুল বক্স এ যে সকল টুলসের পরিচয় করিয়ে দিলাম,তার কাজ হচ্ছে মোবাইলকে খুলা ও ফিটিং করা।আর হটগান এর কাজ হচ্ছে মোবাইলের আইসি উঠানো-বসানো,সোল্ডারিং,ঝালাই করা ইত্যাদি।
চিত্র হট গান-






















কারেন্টঃ

মোবাইলের কাজ করতে আমাদের কারেন্ট ব্যবহার করতে হবে,তাই এ কারেন্ট সম্পর্কে আপনাদের ছোট একটা ধারণা দেয়।কারেন্ট মূলত দুই প্রকার-
·         AC-AC হচ্ছে Alternative Current.যে কারেন্ট বা বিদ্যুত চলার সময় তার গতিপথ পরির্বতন করে চলে তাকে এসি কারেন্ট বলে।
·         DC-DC হচ্ছে Direct Current.যে কারেন্ট বা বিদ্যুত চলার সময় তার গতিপথ পরিবর্তন
করেনা(এক মুখি হয়ে চলে)তাকে ডিসি কারেন্ট বলে।

এক্সট্রা নলেজঃ

·         মোবাইল সেটে যদি পাওয়ার না আসে তাহলে প্রথমেই চেক করব ব্যাটারি।
·         মোবাইলে চার্জ দেয়ার সময় ব্যাটারি বার ফুল দেখায়,কিন্তু চার্জার খুলে ফেললে ব্যাটারি বার খালি দেখায় তাহলে বুঝতে হবে চার্জিং আইসি খারাপ।
·         মোবাইলে চার্জ দেয়ার সময় যদি চার্জ হতে সমস্যা করে,চার্জ এক বার হয় আবার হয়না তাহলে প্রথমে চার্জার ঠিক আছে কিনা দেখব।
আপনাদের কমেন্টেই বলে দিবে আমি এই বিষয়ে সামনে টিউন করব কি না ।
ধন্যবাদ সবাইকে ।

যারা মোবাইল সার্ভিসিং শিখবেন এই দিকে আসেন । 2 (A Z)
আজ আবার আপনাদের সামনে হাজির হলাম,আমার ২য় টিউন নিয়ে। আমার প্রথম টিউন যারা দেখতে চান চলে যেতে পারেনএখানে 
আজ আপনাদের সামনে একটি ডিভাইস নিয়ে আলোচনা করব। আমাদের কাজ করতে অত্যন্তপ্রয়োজন যে বুমাটি ;-)  সেটি হচ্ছে এভোমিটার। এভোমিটার দুই ধরনে হয়ে থাকে। এনালগ ও ডিজিটাল। আমি এনালগ নিয়েই আলোচনা করবকারণ ৯৮% এটা ব্যবহার হয়

চলুন এক নজর দেখে নেই এভোমিটার















Avometer:- কাজের দিক দেয়ে এভোমিটার কে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
·         AC Voltage
·         DC Voltage
·         DC mili Ampear

·         Ohm







AC Voltage:-Ac voltage মাপার সময় এভোমিটার সিলেক্টর AcV 250 এ রেখে মাপতে হবে,তখন Avometer এর চতুর্থ স্কেল দেখতে হবে।
Dc Voltage:- Dc Voltage মাপার সময় Avomiter selector Dc V 10 রেখে মাপতে হবে,তখন মিতারের ২য় স্কেল দেখতে হবে।
Dc Mili Ampiear :- ব্যাটারীর এম্পিয়ার মাপার সময় dcma25 আথবা 0.25 এ রেখে মাপতে হবে।ব্যাটারী ভাল থাকলে মিটারের রিডিং দ্রুত দেখাবে।
Ohm:-Avometer Selector x1 থেকে x10k রেখে মাপতে হবে,তখন মিটারের প্রথম স্কেল দেখতে হবে।











Charger:-Avometer Selector Dc V10 রেখে মাপতে হবে,চার্জার যদি ভাল হয় তাহলে ৬-১০ ভোল্টিজ দেখাবে,নষ্ট হলে দেখাবে না।6 Voltage এর নিচে দেখালে চার্জ হবে না,আবার যদি 10v এর উপরে দেখাই তাহলে জানবে চার্জার ভাল না
Adoptor বা কুইক চার্জারঃ-এর কাজ হচ্ছে ব্যাটারী কে তাড়াতাড়ি চার্জ দেয়া।সর্বোচ্চ দুই মিনিটে চার্জ হবে।

যারা মোবাইল সার্ভিসিং শিখবেন এই দিকে আসেন । 3 (A Z)
আসসালামু আলাইকুম।আশা করি সবাই ভাল আছেন ।আজ আমি আপনাদের সামনে হাজির ৩য় টিউন টা নিয়ে ।আজকের টিউন খুবই গুরুক্ত বহন করে ।বকবক না করে চলে যাই মূল পর্বে
Speaker:










যার মাধ্যমে আমরা কথা শুনতে পায়, তার নাম Speaker
Speaker মাপার নিয়ম-এভোমিটারের x1বা x10 রেখে মাপতে হবে,স্পিকার ভাল থাকলে শব্দ হবে,নস্ট হলে কোন প্রকার শব্দ হবে না।আর মিটারের কাটা যদি ১০০ উহম এর উপরে চলে যায় তাহলে স্পিকারের শব্দ আস্তে হবে।শব্দ না হলে বুঝেতে হবেSpeker খারাপ।
Ringer:














যার মাধ্যমে আমরা কোন Massage বা তথ্য আসলে শুনতে পাই,মোবাইলে কল আসলে রিং এর শব্দ যার মাধ্যমে বেজে উঠে তাকে Ringer বলে।
Ringer মাপার নিয়ম- এভোমিটার সিলেক্টর x1বা x10 রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে শব্দ হবে এবং মিটারের কাটা ৫-১৫ওহম দেখাবে।
Vibrator:











 Vibrator এর কাজ হচ্ছে মোবাইল সেট কে কাঁপানো।
Vibrator মাপার নিয়ম-Avometer Selector x1বা x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাইব্রেটর ভাল থাকলে ঘুরবে,নষ্ট থাকলে ঘুরবে না।
Microphone:












মাধ্যমে আমাদের কথা অপর প্রান্তে শুনতে পাই তাকে মাইক্রোফোন বলে বা এর নাম Microphone
Microphone মাপার নিয়ম- এভোমিটার সিলেক্টর x1 বা x10 রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে মিটারের রিডিং ৫-১৫ ওহম এর মধ্যে দেখাবে।
L.E.D : (Laight Emeting Diode)_
Mobile এর কিপেড ও ডিসপ্লেতে লাইট বা আলো জলার জন্য যা ব্যবহার করা হয়েছে তাকে L.E.D বলে।
এল ই ডি  মাপার নিয়ম-এভোমিটার x1 বা x10 এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে জলবে,নষ্ট হলে জলবে না।
Fuse:Fuse এর কাজ হচ্ছে মাদার বোর্ডের সম্পুর্ণ ভোল্টেজ কে কনট্রোল কর।
Fuse সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে।Fuse সাধারনত কালো রং এর হয়ে থাকে,এর দুই পাশে silver বা সাদা রঙ এর দাগ দেয়া থাকে।আবার Fuse সাধারনত অর্ধেক কালো,অর্ধেক সাদা রং এর হয়ে থাকে।(ক্ষেত্র বিশেষে Fuse অন্যান্য রং এর হয়ে থাকে)
Fuse মাপার নিয়ম-এভোমিটার এর x1k এ রেখে মাপতে হবে,ভাল থাকলে 0ohm  দেখাবে,নষ্ট হলে দেখাবে না।
আসসালামু আলাইকুম। আল্লাহ্‌র রহমতে সকলেই ভাল আছেন। আমার দ্বিতীয় টিউনে অনেকেরই সমস্যা হয়েছিল সিরিজ বোর্ড বানাতে ।তাই আজকের টিউন শুধু সিরিজ লাইন বোর্ড ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ তাই কাজ করার সময় খুবই খুবই সতর্ক থাকবেন।
X-Ray মানব দেহের জন্য একটি ক্ষতিকর রশ্মি তাই বলে কি মানুষ X-Ray হতে বিরত থাকে ? না ! অনেকের জীবন জীবিকার অবলম্বন এরকম অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এবং দুর্ঘটনাই আহতদের সঠিক চিকিৎসার অংশ এ এক্সরে ।
আসুন কথা আর না বাড়িয়ে শুরু করে দেই আজকের কাজঃ-................................
প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিঃ- প্লায়ারস ও স্ক্রু ড্রাইভার।
প্রয়োজনীয় উপকরনঃ- ৪০-২০০ ওয়াটের ক্লিয়ার বুল্ব,সুইচ বোর্ড, টুপিন সকেট, সুইচ, বাটাম হোলডার, টুপিন প্লাগ ও তার।




















আপনার প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সুইচ, সকেট, ফিউজ, ইন্দিগেটার ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।
কারযপ্রণালীঃ- চিত্রে বোঝানর জন্য খোলা অবস্থাই সংযুক্ত করেছি।
এবার উপদানগুলী সুইচ বোর্ডে ভালভাবে স্ক্রু দিয়ে সংযুক্ত করুন । চিত্রে সাদাকালো অংশ ডায়াগ্রাম ও রঙ্গিন উপাদানের চিহ্নিত চিত্র । চিহ্নিত চিত্র দেখে সঠিকভাবে সংযুক্ত করি













এবার আমার ব্যবহারক্রীত বোর্ডটির সকল অংশ চিহ্নিত করে ডায়াগ্রামসহ বর্ণনা করছি। ...............
আমার বোর্ডটিতে ২ নং চিত্র এর প্রদর্শিত উপাদান ছাড়া অতিরিক্ত ১ টি ফিউস, ১ টি ইন ইন্দিগেটার, ও টুপিন সকেট বাবহার করেছি। ইন্দিগেটারতির কভার খুলে শুধু মূল উপাদান সুইচ বোর্ডের সাথে সংযুক্ত করেছি।এতে বোর্ডের ডিজাইন পালটানোর সাথে সাথে কিছু জাইগা অন্য কাজে ব্যবহার করতে পেরেছি। 













এবার চিত্র ৩ এর মত করে সকল উপাদান সঠিকভাবে সংযুক্ত ঙ্করুন ।
তাহলেই আপনার সিরিজ বোর্ড তৈরি।
সিরিজ বোর্ড পরীক্ষাঃ- পরীক্ষা করতে লাগবে টুপিন সহ অল্প একটু তার।
সিরিজ বোর্ড পরীক্ষা পদ্ধতিঃ- এবার টুপিন সহ তারটি খোলা প্রান্ত চিত্রের মত করে ধরি অন্য হাত দিয়ে টুপিন সিরিজের সকেটে প্রবেশ করি। এখুন খোলা প্রান্ত দুটি চিত্রের মত স্পর্শ করি। তাহলে বাল্বটি জ্বলবে। তারের প্রান্ত দুটি খুলে দিন বাল্বের আল বন্ধ হবে।













সিরিজ বোর্ডের সুইচের কজঃ- সুইচ অন করলে বাতি জ্বলবে। ফলে আলো জালানর কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।
সুইচ অন অবস্থাই সিরিজ কাজ করেনা।
এই সুইচ ব্যবহার করলে রাইস কুকার, ওভেন, আয়রন (লন্ড্রি) ইত্যাদি পরীক্ষা করতে বাড়টি সুবিধা পাবেন।
উদাহরনঃ- সুইচ অন অবস্থাই আয়রন (লন্ড্রি) এর প্লাগ সিরিজ সকেটে প্রবেশ করান দেখবে আলো জ্বলছে এবার সুইচ অন করুন। আলো একটু উজ্জলতা পেয়েছে। সুইচ অন অফ করুন, আলো কম বেশি হচ্ছে। এতে বোঝা যাই আয়রন (লন্ড্রি)টি ভাল আছে। কিন্তু যদি আলো না জ্বলে বা সম্পুরন জ্বলে তাহলে আয়রন (লন্ড্রি)টি নষ্ট। 
সতর্কতাঃ- ১. ইলেক্ট্রনিক্স সম্পর্কে ধারনা না থাকলে চেষ্টা না করাই ভাল।
২. যে উপাদানগুলো নেই কাজ করবেন সেগুলি ত্রুতি মুক্ত হতে হবে।
৩. বোর্ডটি সম্পূর্ণ হলে আর একবার চিত্রের সাথে ভাল করে মেলানর পর সব কিছু ঠিক থাকলে বৈদুতিক সংযোগ দিন। অসম্পূর্ণ অবস্থাই সংযোগ দিবেনা।
৪. সংযোগের স্ক্রুগুলো ভাল ভাবে টাইট দিন। ঢিলা থাকলে ফাআরিং করবে তারাতারি নষ্ট হাবে।
৫. এসকল ঝুঁকিপূর্ণ কাজে একজন সহকর্মী রাখুন। কোন ত্রুটি হলে মেইন সংযোগ বন্ধ করতে পারে।
৬.সিরিজ সকেট ছাড়া অন্য সকেটে সিরিজ পরীক্ষার প্লাগ প্রবেশ করাবেননা। অন্য সকেটে পরীক্ষার প্লাগ প্রবেস করালে আগুন ধরতে পারে তাই ভুল করেও সাধারণ সকেটে পরীক্ষার প্লাগ প্রবেশ করাবেন না 


মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০১৪

কয়েকটি কম্পিউটার লোকাল নেটওয়ার্কের দ্বারা সংযুক্ত থাকলে উইন্ডোজের বিল্টইন রিমোট ডেস্কটপের সাহায্যে অন্য যেকোন কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এজন্য অবশ্য উক্ত কম্পিউটারকে রিমোট ডেস্কটপ সক্রিয় থাকতে হবে।
রিমোট ডেস্কটপ সক্রিয় করতে মাই কম্পিউটারের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন অথবা Control Panel থেকে System এ ক্লিক করুন তাহলে System Properties আসবে। এবার Remote ট্যাব থেকে Allow users to connect remotely to this computer চেক করুন। তাহলে এই কম্পিউটারের সকল এ্যাডমিনিষ্টেটর ইউজার স্বাভাবিকভাবে রিমোট ডেস্কটপের মাধ্যমে ঢুকতে পারবে। আর আপনি যদি অনান্য কোন ইউজারকে রিমোট ডেস্কটপ ব্যবহারের অনুমতি দিতে চান তাহলে Select Remote Users… বাটনে ক্লিক করে Add… বাটনে ক্লিক করুন। এবার Advanced বাটনে ক্লিক করে Select Users ডায়ালগ বক্স থেকে Find Now বাটনে ক্লিক করুন এবং নিচে থেকে পছন্দের ইউজার নির্বাচন করে সবগুলো উইন্ডো Ok করে শেষ করুন।
এবার নেটওয়ার্কের যে কোন কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ঢোকার জন্য Start Menu\Programs\Accessories\Communications এর Remote Desktop Connection এ ক্লিক করুন (অথবা রানে গিয়ে mstsc লিখে এন্টার করুন) তাহলে Remote Desktop Connection উইন্ডো আসবে। এবার আপনি যে কম্পিউটারে ঢুকতে চান সেই কম্পিউটারের আইপি এড্রেস লিখে Connect বাটনে ক্লিক (এন্টার চাপুন) করুন। তাহলে উক্ত রিমোট কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করবে। (রিমোট কম্পিউটার যদি বন্ধ থাকে বা রিমোট ডেস্কটপ সক্রিয় না থাকে তাহলে Remote Desktop Disconnection ম্যাসেজ আসবে।) আর সব ঠিক মত থাকলে Log On to Windows আসবে। এখানে আপনি ইউজারের নাম এবং পাসওয়ার্ড লিখে Ok বটিনে ক্লিক (এন্টার চাপলে) করলে লগইন হবে। এখন আপনি স্বাভাবিকভাবে উক্ত কম্পিউটারের সকল কাজ (এমনকি বন্ধও) করতে পারবেন।
আপনি যদি আপনার নিজের কম্পিউটারের ড্রাইভগুলোকে রিমোট কম্পিউটারে শেয়ার হিসাবে দেখতে চান তাহলে Remote Desktop Connection উইন্ডো থেকে Options>> বাটনে ক্লিক করে Local Resource থেকে Disk drives এ চেক করুন।
ফেসবুক বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এর বিভিন্ন ফিচার এটাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে।
এই ফেসবুক নিয়ে অনেকের কাছ থেকে বারবার একটা প্রশ্নের সম্মুখীন হই, সেটা হল কীভাবে ফেসবুক পেজ খুলতে হয়? শুধুমাত্র জানার জন্য হলেও তারা এটা জানতে চায়।
তাহলে আসুন আজ আমরা ফেসবুক পেজ তৈরি করা শিখি

প্রথমে আপনারা ফেসবুকে Log Out করার যে মেনু সেখানে যাবেন। Log Out  অপশন থেকে ঠিক উপরে একটা মেনু, নাম Create Page অপশনে ক্লিক করুন। দেখবেন নিচের ছবির মতো একটা পেজ আসবে।












এখান থেকে আপনি আপনার পেজের ক্যাটাগরি পছন্দ করুন।
আমি আপনাদের Cause or Community  তে একটা পেজ খোলা দেখাব। আপনি আপনার পছন্দ মতো ক্যাটাগরি পছন্দ করতে পারেন









আরেকটা কথা বলে নেই, আপনারা অপ্রয়োজনীয় বা অরুচিপূর্ণ কোন পেজ খুলবেন না প্লিজ
তাহলে আপনার পছন্দমতো ক্যাটাগরিতে ক্লিক করুন। আমি Cause or Community  ক্যাটাগরিতে প্রবেশ করলাম।
তারপর নিচের ছবির মতো অপশন আসবে। সেখানে আপনার পেজের নাম দিন এবং নিচের I agree Facebook Pages Terms  এ টিক চিহ্ন দিন। তারপরGet Started  এ ক্লিক করুন।












তারপর এক এক করে আপনার পেজের তথ্য দিন, প্রোফাইল পিকচার অ্যাড করুন  এবং Save Info  তে ক্লিক করুন।
হয়ে গেল আপনার নিজস্ব পেজ খোলা।
পরবর্তীতে কোন তথ্য যোগ বা বাদ দিতে হলে Edit Page  থেকে পরিবর্তন করুন।
একাধিক এডমিন রাখতে চাইলে Edit Page থেকে Manage Admin Roles  ক্লিক করে Email এড্রেস দিয়ে বন্ধুদের অ্যাডমিন করতে পারেন
যাইহোক এখন মনে হয় আপনাদের আর পেজ খুলতে কারও সমস্যা হবে না।
আবার রিকুইয়েসট করছি, অপ্রয়োজনীয়